ব্যক্তিজীবনে তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি Information and communication technology in personal life-part:2

Information and communication technology in personal life

দৈনন্দিন জীবনে আমরা প্রতি মুহুর্তে তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তিকে ব্যবহার করি। এ প্রযুক্তি ব্যবহারে আমরা এত অভ্যস্ত হয়ে গেছি যে অনেক সময় বিষয়টা আমরা লক্ষ পর্যন্ত করি না! এটির ব্যবহার কত ব্যাপক সেটা বােঝার জন্যে আমরা কাল্পনিক একজন মানুষের একটা দিনের কথা চিন্তা করি- ধরা যাক তার নাম সাগর। সাগরের ঘুম ভাঙলাে এলার্মের শব্দে, He put the alarm on his mobile phone at six o'clock. When he woke up, the first thing he remembered was that today was a holiday, he didn't have to go to work! সাথে সাথে তার মনটা ভালাে হয়ে গেল। এলার্মটা। বন্ধ করার সময় লক্ষ করল সেখানে ডেস্ক ক্যালেন্ডারে তাকে মনে করিয়ে দিয়েছে আজ তার কম্পিউটার ব্যবহার করে গান শােনা যায়। বন্ধুর জন্মদিন, বিকেলে তার বাসায় জন্মদিনের উৎসব।


After washing his hands and face and having breakfast, he heard the news on the television. Paddy has bumper yields. Hearing this, his mind became better. Once again, there was a low pressure in the Bay of Bengal and there was a risk of a cyclone. নাস্তা করে সাগর তার ল্যাপটপটি নিয়ে বসে, প্রথমেই সে তার ই-মেইলগুলাে দেখে, তার প্রবাসী ভাই তার পরিবারের একটা ছবি পাঠিয়েছে। ছবিটা ভারি সুন্দর- সাগরের মনে হল সেটা ঘরে টানিয়ে রাখলে মন্দ হয় না। তাই সে প্রিন্টারে সেটা প্রিন্ট করে নিল। ই-বুক রিডার ব্যবহার করে বই পড়া যায়। ই-মেইলে চিঠিপত্রের উত্তর দিয়ে সে তার প্রিয় কয়েকটা গান বাজাতে শুরু করে দেয়।


গান শুনতে শুনতে সে তার ই-বুক রিডারে একটা বই পড়তে শুরু করে। প্রিয় বই পড়তে পড়তে কীভাবে যে সময় কেটে গেল সাগর বুঝতেই পারল না! It's a little late when the book is finished. Suddenly he thinks there is no food at home. Not marketed. Sagar suddenly thinks that food can be ordered on the internet, তারা বাসায় এসে খাবার পৌঁছে দেয়। সাগর তখনই ইন্টারনেটে তার প্রিয় খাবার পিৎজার অর্ডার দিয়ে দেয়।

কিছুক্ষণের মাঝেই হাসি-খুশি এক তরুণ তার বাসায় পিৎজা নিয়ে আসে। সাগর বলল, আমার বাসাটা খুঁজে পেতে তােমার কি কোনাে সমস্যা হয়েছে?” The young man said, “There was no difficulty. I gave your address in GPS, it told me which way to go”


সাগর খেতে খেতে আবার তার কম্পিউটারে পৃথিবীর খবরাখবর নেয়। নিউট্রিনাে (Neutrino) নিয়ে বিজ্ঞানের একটা চমকপ্রদ খবর বের হয়েছে। নিউট্রিনাে কী- সাগর সেটা জানে না তাই সে উইকিপিডিয়াতে নিউট্রিনাে সম্পর্কে চমৎকার একটা লেখা পড়ে নিল। শুধু তাই নয়, নতুন একটা সিনেমা খুব নাম করেছে- সিনেমাটা দেখলে মন্দ হয় না। সাগর তখনই সিনেমাটা ডাউনলােড করতে শুরু করে দেয়, রাতে সে সেটা দেখবে। কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ঘরে বসে সারা বিকেলে বন্ধুর বাসায় জন্মদিনের উৎসবে যাবেপৃথিবীর সাথে যােগাযােগ করা যায়। তাকে কিছু একটা উপহার দেয়া দরকার। বন্ধুটি বই পড়তে খুব ভালােবাসে তাই সাগর ইন্টারনেটে একটা | বই অর্ডার দিয়ে দেয়, বন্ধুর বাসায় বইটা পৌঁছে যাবে। সে নিজের জন্যেও একটা বই অর্ডার দিল।


ব্যাংকে যথেষ্ট টাকা আছে কি না জানা দরকার। এখানে উল্লেখ করা হয় নি কিন্তু তথ্য ও যােগাযােগ সাগর তখন তার ব্যাংকে খোঁজ নিল, সেভিংস থেকে কিছু টাকা তার চেকিং একাউন্টে নিয়ে আসে। | ঘর থেকে বের হওয়ার সময় তার মােবাইল বেজে উঠে- বাড়ি থেকে তার মা ফোন করেছেন। সাগর জিজ্ঞেস করল, “মা ভালাে আছ তােমরা?” মা বললেন, “হ্যা ভালােই আছি, তবে তাের বাবার চশমাটা মনে হয় বদলাতে হবে, স্পষ্ট নাকী দেখতে পায় না।” সাগর বলল, “তুমি চিন্তা করাে না মা, আমি সামনের সপ্তাহে চলে আসব, বাবাকে চোখের ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাব।” মায়ের সাথে কথা শেষ করে সাগর মােবাইল টেলিফোনে তখনই ট্রেনের টিকেট বুক করে দেয়। ভালাে চোখের ডাক্তারের খোঁজ নেবার জন্যে সে রাতে ই-চিকিৎসা কেন্দ্রে খোঁজ নেবে।


বন্ধুর বাসায় জন্মদিনের উৎসবে সবাই মিলে খুব আনন্দ করল, ছােট বাচ্চারা ঘরের এক কোনায় হইচই করে কম্পিউটার গেম খেলছে। রাতে খাবার খেয়ে সাগর বাসায় ফিরে আসে। পরদিন কাজে যেতে হবে। ' তাই সে সকাল সকাল শুয়ে পড়ে। বিছানায় শুয়ে শুয়ে সে শেষ খবরটা শুনে নেয়। উপগ্রহ থেকে ছবি তুলেদেখা গেছে ঘূর্ণিঝড়টা ঘুরে অন্যদিকে চলে গেছে। দেশের কোনাে বিপদ নেই। খবরটা শুনে সাগরের ' মনটা ভালাে হয়ে যায় নিশ্চিন্ত মন নিয়ে সে ঘুমাতে গেল। কাল্পনিক মানুষের কাল্পনিক দিনলিপি এখানেই শেষ- তােমরা কী লক্ষ করেছ তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি 'দয়ে সে সারাটা দিন কত কাজ করেছে ? অল্প কিছদিন আগেও কেউ কি এটা কল্পনা করতে পারতাে?

Post a Comment

0 Comments